সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব আর্টিকেল লেখার ২০টি কৌশল

[starbox id=sipon]

কিভাবে সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব আর্টিকেল লিখবেন তার কিছু কৌশল নিয়ে আজ আলোচনা করব ।

  1. কপি/পেষ্টকে না বলুন
  2. লেখার আগে পর্যাপ্ত রিসার্চ
  3. অপেক্ষাকৃত লম্বা টাইটেল ব্যাবহার
  4. হেডিং ট্যাগ এর তাৎপর্য ও ব্যাবহার
  5. কুয়োট, বোল্ড, আন্ডারলাই, ইটালিক
  6. নাম্বারিং লিষ্ট ও নাম্বার বিহিন লিষ্ট আইটেম
  7. ইমেজ এর অল্টার ট্যাগ
  8. কীওয়ার্ড রিসার্চ করা
  9. ফোকাস কীওয়ার্ড সিলেক্ট করা
  10. পোষ্টের কন্টেন্ট এ ফোকাস কীওয়ার্ড এর পর্যাপ্ত আধিক্য
  11. ফোকাস কীওয়ার্ড নিয়ে পেজে স্প্যামিং না করা
  12. পোষ্টের পার্মালিঙ্ক এ ফোকাস কী ওয়ার্ড থাকা
  13. মেটা ডেসক্রিপশন এ ফোকাস কী ওয়ার্ড
  14. পর্যাপ্ত ও রিলেটেড ট্যাগ বা লেভেল ব্যাবহার
  15. গুগোল এনালাইটিক্স ব্যাবহার করা (ওয়েবমাস্টার এর জন্য)
  16. গুগোল ও বিং সার্চে কন্টেন্ট সাবমিট করা
  17. সাইটম্যাপ এ আর্টিকেল/পোষ্ট এর লিঙ্ক যুক্ত করা
  18. সোসাল একাউন্ট গুলোয় লিঙ্ক শেয়ার করা
  19. সোসাল একাউন্ট এ রিলেটেড হ্যাশট্যাগ ব্যাবহার
  20. সাইটে কমেন্ট ও লেখা শেয়ার করার ব্যাবস্তা রাখা

কপি/পেষ্টকে না বলুন

সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব আর্টিকেল  লিখতে হলে প্রথমেই আপনাকে কপি/পেষ্ট থেকে বিরত থাকতে হবে কারন কপি/পেষ্ট সার্চ ইঞ্জিন পছন্দ করেনা।

 

লেখার আগে পর্যাপ্ত রিসার্চ

আপনার  মন চাইলেই লেখা শুরু করবেন না। কোন বিষয়ে লেখার আগে অনলাইনে পর্যাপ্ত রিসার্চ করুন। দেখুন অন্যরা কি লিখে, কিভাবে লিখে, এসব বিষয় পরীক্ষা করে, পর্যাপ্ত জ্ঞান নিয়ে পরে’ই লেখা শুরু করুন। মিথ্যা, ভূয়া বা বানোয়াট নিউজ দিবেন না, আর দিলেও পোষ্টে বা টাইটেলে গুজব (Rumor) উল্লেখ করুন।

অপেক্ষাকৃত লম্বা টাইটেল ব্যাবহার

শুধু কীওয়ার্ড কে টাইটেল বানিয়ে লেখা শুরু করবেন না। টাইটেল এর আগে পরে কিছু যুক্ত করে টাইটেল কে একটু লম্বা, আকর্ষনীয় ও সুন্দর করুন।  যেমনঃ আপনার কীওয়ার্ড যদি হয় reasons of cancer তবে আপনি আপনার লেখার টাইটেলে Most Common Reasons of Cancer, এটা ব্যাবহার করতে পারেন। দরকার হলে Long Keyword সাজেসন্স টুল ব্যাবহার করতে পারেন। তেমনই একটি সাইট হচ্ছে লংটেলফাইন্ডার

হেডিং ট্যাগ এর তাৎপর্য ও ব্যাবহার

সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব আর্টিকেল
হেডিং ট্যাগ

মোট ৬টি হ্যাডিং ট্যাগ (Heading Tag) আছে। h1 বা Heading1 সবচাইতে বড় এবং ক্রমানুসারে h6 বা Heading6 সবচাইতে ছোট। সার্চ ইঞ্জিন বটের কাছেও, h1 সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ এবং h6 এর গুরুত্ব সবচাইতে কম। আর আর্টিকেল বা পোষ্ট লেখার সময়, পোষ্টের টাইটেল হিসাবে আমরা কখনোই h1 ব্যাবহার করব না, কারণ, এটা ওয়েবসাইটের  মেইন টাইটেল এর জন্য। H2 টা পোষ্টের টাইটেলের জন্য বরাদ্দ থাকলেও H2 থেকে H6 আপনি গুরুত্ব অনুযায়ী পোষ্টের ভেতর ব্যাবহার করতে পারেন।

তবে কোন ভাবেই পোষ্টের ভেতর পেরাগ্রাফকে অযথা Heading হিসাবে ব্যাবহার করা উচিৎ নয়।

কুয়োট, বোল্ড, আন্ডারলাই, ইটালিক

প্যারাগ্রাফের মাঝে কোন টেক্সট হাইলাইট করতে হলে Heading ট্যাগ ব্যাবহার না করে Bold, Italic, Underline ব্যাবহার করা উচিৎ এবং বিশেষ কোন কথা বা কারো ডায়ালগ, ইত্যাদির জন্য BlockQuote ব্যাবিহার করা উচিৎ।

নাম্বার লিষ্ট ও বুলেট লিষ্ট আইটেম

সিরিয়াল বাই কোন কিছু লেখতে হলে, নিজে থেকে ১, ২, ৩ ইত্যাদি নাম্বার না দিয়ে বা নিজে থেকে √ ♥ » > ⇒ ইত্যাদি স্পেশাল ক্যারেক্টার ব্যাবহার না করে, নাম্বার লিষ্ট বা প্রয়োজনে বুলেট লিষ্ট ব্যাবহার করা বেশি ভাল। এতে রোবট বুঝতে পারে যে, এখানে একটা লিষ্ট আছে।

 

ইমেজ এ অল্টার টেক্সট ব্যাবহার

আমরা (Human) যেভাবে একটি ইমেজ বা ছবি দেখে, সার্চ ইঞ্জিন বট সেভাবে দেখে না। কোন ইমেজে যদি অল্টার টেক্সট (Alternative Text in Image) থাকে, তাহলে বট সহজেই বুঝতে পারে, এটা কিসের ইমেজ। তাই, প্রতিটা ইমেজে ALT Text ব্যাবহার করা অবশ্যই জরুরী।

 

কীওয়ার্ড রিসার্চ করা

এই টার্ম টা আসলে SEO এর মধ্যে পরে না। তবে আমি ব্যাক্তিগতভাবে সাজেষ্ট করি। আর্নিং এর জন্য আপনার আর্টিকেল লেখার সময়, আপনার আর্টিকেল অন্যদের (প্রতিযোগীদের) থেকে অবহ্যই ভাল হতে হবে অথবা অন্তত সমমানের হতে হবে। লেখার কোন তথ্য গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং কি কি তথ্য থাকা উচিৎ, সে সম্পর্কে ক্লিয়ার আইডিয়া থাকা জরুরী।

ফোকাস কীওয়ার্ড সিলেক্ট করা

আপনার লেখার মধ্যে একটা ফোকাস কীওয়ার্ড থাকতে হবে, যে কীওয়ার্ড টা সার্চ করলে যাতে আপনার লেখাটা সার্চ ইঞ্জিনে প্রাধান্য পায়।  যেমন Most Common Reasons of Cancer লেখাটিতে Reasons of Cancer হচ্ছে, ফোকাস কী ওয়ার্ড। কারণ, আমি চাই কেউ যদি গুগোলে Reasons of Cancer লিখে সার্চ করে, তাহলে যাতে আমার লেখাটি আগে আসে। পাশাপাশি, সার্চ ইঞ্জিন বটের ও যাতে ফোকাস কীওয়ার্ড নজর কারে।

ফোকাস কীওয়ার্ড এর আধিক্য

ফোকাস কীওয়ার্ড পোষ্টে বা লেখার ভেতর অন্তত পক্ষে ৪/৫ বার থাকা উচিৎ। যদি পর্যাপ্ত আধিক্য না থাকে, তাহলে সার্চ ইঞ্জিন বট এটাকে সাধারণ টেক্সট হিসাবেই গণনা করতে পারে এবং স্কিপ করে যেতে পারে।

ফোকাস কীওয়ার্ড নিয়ে স্প্যামিং

ফোকাস কীওয়ার্ড এর আধিক্যের কথা বিবেচনা করে, প্রতি কথায় কথায় কীওয়ার্ড টেনে আনাও বোকামি। এতে করে এটাকে স্প্যাম হিসাবে কাউন্ট করার ঝুকি আছে। আর গুগোলের স্প্যাম পলিসি খুবই যঘন্য। যঘন্য বলতে কঠিন, একটুও ছাড় দেয় না। একবার বাঁশ দিলে আর ছাড়তে চায় না।

পার্মালিঙ্ক এ ফোকাস কীওয়ার্ড

ফোকাস কীওয়ার্ড অবশ্যই পার্মালিঙ্ক এর থাকতে হবে। গুগোলের ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস এর ফ্রি ব্লগ এবং সেলফ হোস্টেড ব্লগ সহ প্রায় সকল সিএমএস এই পার্মালিঙ্ক কাষ্টমাইজেশনের অপশন থাকে।

মেটা ডেসক্রিপশন এ ফোকাস কীওয়ার্ড

মেটা ডেসক্রিপশন হচ্ছে গুগোল সার্চ এ, ঠিক টাইটেলের নিচে যে অংশ টা দেখাবে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা হিসাবে। এই অংশটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভিজিটররা কোন সাইটে ভিজিটের আগে এই অংশটা খেয়াল করেন।

এখানে আমি পোদ্দারি (বেটাগিরি) দেখানোর স্বার্থে নিজের নামে সার্চ করেছি 😀 যাউকগা,  এখানে লাল বক্স মার্ক করা অংশটুকু হচ্ছে সেই পাতার Meta Description যা সার্চ রেজাল্টে দেখাচ্ছে। আপনি যদি ব্লগার ব্যাবহার করে থাকেন, তবে লেখার বক্সের ডানে ডেসক্রিপশন লেখার যায়গা পাবেন, আর আমার জানামতে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে ডিফল্ট ভাবে ডেসক্রিপশন লেখার স্থান থাকে না, প্লাগিন ইনস্টল করতে হয় কাজটা করার জন্য। আমার জানামতে বিনামূল্যের সবচাইতে ভাল প্লাগিন এর নাম YOAST এবং এর প্রিমিয়াম ভার্সনও আছে। তবে ফ্রি ভার্সনটাই আমার জন্য যথেষ্ট হয়েছে এবং আশাকরি আপনারও কাজে দিবে। তবে আপনার অনেকে টাকা থাকলে আমি সাজেষ্ট করব কিনে নিতে, লস হবে না মনেহয়।

পর্যাপ্ত রিলেটেড ট্যাগ বা লেভেল ব্যাবহার

আপনার লেখাটিতে পর্যাপ্ত লেবেল (ব্লগস্পট এর ক্ষেত্রে) অথবা ট্যাগ (ওয়ার্ডপ্রেস এর ক্ষেত্রে) ব্যাবহার করুন। তবে কোন অবস্থাতেই স্প্যাম করা ঠিক হবে না। ইংরেজী লেবেলের ক্ষেত্রে প্রতি ওয়ার্ডের ১ম অক্ষর ক্যাপিটাল হলে সুন্দর দেখায় (search vs Search) আর ট্যাগ ১ ওয়ার্ডের হলেই বেশি ভাল, তবে গুরুত্বের দিকে বিবেচনা করে ২ ওয়ার্ডের ট্যাগ ব্যাবহার করা যায়। যেমনঃ “Search” ও “Engine”, এখানে দুটি আলাদা ট্যাগ ব্যাবহার না করে “Search Engine” হিসাবে একটা ট্যাগ ব্যাবহার করলে বেশি অর্থবহ হয়।

আবার, উদাহরণ হিসাবে Most Common Reasons of Cancer যদি আমাদের আর্টিকেল হয়, এখানে অবশ্যই ট্যাগ এর ক্ষেত্রে Reason, Cancer আলাদা দুটি ট্যাগ হওয়া উচিৎ, এমন ক্ষেত্রে Reasons of Cancer ট্যাগ হিসাবে ব্যাবহার করা আমার মতে দূষনীয়।

গুগোল এনালাইটিক্স ব্যাবহার করা (ওয়েবমাস্টার দের জন্য)

আসলে গুগোল এনালাইটিক্স একটি ব্যাপক বড় টার্ম। ছোট্ট করে গুগোল এনালাইটিক্স এর ব্যাবহার ও টুকিটাকি ট্রিক্স বলে দেয়া সম্ভব না। তবে, আপনার সাইটের ভিজিটররা কোন পেজ থেকে কোন পেজে যাচ্ছে, কি কীওয়ার্ড সার্চ করে, কোন ওয়েবসাইট থেকে কোন এসে কোন পেজে ভিজিট করচ্ছে, সাইটে কতক্ষন স্টে করচ্ছে, সে কোন দেশের আইপি থেকে ভিজিট করচ্ছে, তার দেশ, ডিভাইস, ব্রাউজার, স্ক্রীন সাইজ, কোন কোন ক্ষেত্রে বয়স ও সেক্স দেখা যায়। এতে করে আপনি কোন পেজ জনপ্রিয় ও কনটায় ভিজিট হচ্ছে না, কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা ওয়েবসাইটে ইত্যাদি বিষয় জানতে ও বুঝতে পারবেন। তাই এনালাইসিস এর জন্য এটা ব্যাবহার করা উচিৎ। আমি নিজেই ঠিক মত ব্যাবহার করি না, ব্যাবহার জানি ও না, হুদাই চিল্লাই 😛

Google ও Bing সার্চে কন্টেন্ট সাবমিট করা

সার্চ ইঞ্জিনে নিজে যেয়ে কন্টেন্ট এর লিংক সাবমিট করার মানে হচ্ছে, সার্চ ইঞ্জিনকে বলা, “ওহে সার্চ ইঞ্জিন, আমার সাইটে তোমার বট পাঠাও, আমি রেডী”। আর এর সুবিধা হচ্ছে, আপনি যদি সার্ক্স ইঞ্জিনে ইন্ডেক্সড না হয়ে থাকেন অর্থাৎ আপনার সাইটের অস্তিত্ব যদি সার্চ ইঞ্জিন আগে থেকে না পেয়ে থাকে, তাহলে জানান দেয়া হয়ে গেল। নতুন সাইটের জন্য এই কাজটা বেশ দরকারী। পুরান সাইটে লাগে না, ওয়েবমাস্টারটুল ব্যাবহার করে নিয়মিত সাইটম্যাপ আপডেট করলে এর দরকার পরে না।

সাইটম্যাপ এ আর্টিকেল/পোষ্ট এর লিঙ্ক যুক্ত করা

সাইটম্যাপ কি? – এই প্রশ্নের উত্তরে আমি পালটা প্রশ্ন করব, ম্যাপ কি? যাইহোক, উত্তর দিতে না পারলেও, মনে মনে আমরা সবাই জানি, ম্যাপ কি জিনিস। সাইটম্যাপ হচ্ছে, একটা ফাইল (সাধারণতঃ example.ext/sitemap.xml) যেখানে, একটা সাইটের কোন লিংক এ কি আছে বা কোন কোন লিংক সার্চ ইঞ্জিন ভিজিট করবে, কার গুরুত্ব কতটুকু, আবার কতদিন পর সে রিভিজিট করবে পেজটি, ইত্যাদি বলে দেয়া থাকে। আমি যদি সেলফ হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস ব্যাবহার করে থাকেন, তাহলে YOAST প্লাগিন ই আপনার জন্য অটো সাইটম্যাপ তৈরী করে দিবে তবে গুগোলের ব্লগস্পট প্ল্যাটফর্মে সাইটম্যাপ তৈরী করার প্রকৃয়া  একটু ভিন্য। আর যদি এগুলোর বাইরের নর্মাল HTML বা অন্য কোন সিএমএস ব্যাবহার করে থাকেন, তবে অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা ফ্রি সাইটম্যাপ তৈরী করে দেয়, তাদের ফলো করতে পারেন।

সোসাল একাউন্ট গুলোয় লিঙ্ক শেয়ার করা

একটি সাইটের সোসাল ইম্প্রেশন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। মনে মনে ভাবতে পারেন, এই লাবিব হালায় সবকিছুইরেই গুরুত্বপূর্ণ, জরুরী, দরকারী কয় ক্যান। পাগল ছাগল কোহানকার। আসলে, যে কাজগুলোর কথা বললাম, এই সবগুলো সহ আরো অনেক অনেক গুলো কাজ আছে, এগুলোর মিলিত কার্যক্রমই হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন। এটা কোন ছেলেখেলা বা টিপ দিলাম আর হয়ে গেল ধরণের কাজ না। তো যা বলচ্ছিলাম, সোসাল ইম্প্রেশনের জন্য অন্তত একটি গুগোল প্লাস, পিন্টারেষ্ট, টুইটার ও ফেসবুক পেজ/একাউন্ট থাকা প্রয়োজন। লেখা লিংক গুলো সেখানে রেগুলার পোষ্ট করতে হবে। আরো অনেক অনেক বুকমার্কিং সাইট ও সোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট আছে। তবে এই ৪টা আমার মতে বেশি দরকারী।

সোসাল একাউন্ট এ রিলেটেড হ্যাশট্যাগ ব্যাবহার

আপনার লিংক এর সাথে লেখার টাইটেল, দরকার পরলে রিলেটেড ইমেজ তো দিবেনই, সাথে রিলেটেড হ্যাশট্যাগ ব্যাবহার করা উচিৎ। যেমনঃ Most Common Reasons of Cancer আর্টিকেলটির জন্য আপনার হ্যাশট্যাহ হওয়া উচিৎ #Cancer #Health #Healthcare ইত্যাদি, যদিও আপনার টাইটেলে Health Word টা অনুপস্থিত। ফেসবুক, টুইটার, গুগোল প্লাস, ইনস্টাগ্রাম প্রায় সবাই এখন হ্যাসট্যাগ সাপোর্ট করে।

সাইটে কমেন্ট ও লেখা শেয়ার করার ব্যাবস্তা রাখা

আপনার ওয়েবসাইট টি ব্লগ হয়ে থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করার অপশন রাখা এবং নিয়মিত কমেন্ট এর উত্তর দেয়া উচিৎ। যদি ব্লগ না হয়ে থাকে বা ভিজিটর এঙ্গেজিং সাইট না হয়, তাহলে কমেন্ট না থাকাই ভাল তবে সোসাল শেয়ার বাটন থাকা জরুরী। অনেকে শেয়ার করতে চায় কিন্তু ব্রাউজার বন্ধ বলে করতে চায় না, সাইটেই শেয়ার বাটন থাকলে অন্য ট্যাব বা ওয়েবসাইটে মুভ না করেই, শেয়ার করা যায়।

তাছাড়া গুগোল প্লাস, ফেসবুক ইত্যাদি  সাইট এখন ওয়েবসাইট/ব্লগের জন্য কমেন্ট সিস্টেম (এপ্স) সরবরাহ করে থাকে। যেগুলো, অনেক সময় বাঁচিয়ে দেয়।

বোনাস!  কপিপেষ্ট রুখতে যা করতে পারেন,

আপনার সাইটের কন্টেন্ট এর কপি/পেষ্ট বন্ধ করতে, পোষ্ট গুলো ইন্টার্লিঙ্ক করে রাখুন আর লেখায় প্রচুর নিজের ব্লগের নাম ও ইমেজ ব্যাবহার করুন 😉 আমার বেশকয়েকজন রাইটার বন্ধুকে দেখছি এই কাজটা করতে। এতে, কেউ কন্টেন্ট কপি করলেও কিছু ব্যাকলিঙ্ক এসে যায়। আর জাভাস্ক্রিপ্ট বা এই ধরনের প্লাগিন টাগিন দিয়ে আসলে কন্টেন্ট চুড়ি বা কপি/পেষ্ট বন্ধ করা যায় না। যারা করার, তারা করবেই।


 

 

 
BanglaTech

BanglaTech

বাংলার প্রযুক্তি গবেষণাগার । দেশ ও মানুষের কল্যানে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.